মিনিবাসে যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা





ডেক্স রিপোর্ট, টাইমসবাংলা.নেটঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিকবাহী মিনিবাসে এক যুবতীকে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে রবিবার রাতে শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ফারুক হোসেন (৩০) নামের এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

অভিযুক্ত ফারুক হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার হযরত নগর গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিকবাহী মিনিবাসের চালক। অপর, অভিযুক্ত যুবতীর স্বামী সোহেল রানা(২৪) ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। সে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার গুসবী গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।

নির্যাতিতার বরাত দিয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, গত ৩মাস পূর্বে স্থানীয় কারখানার শ্রমিক সোহেল রানার সাথে নির্যাতিতার বিয়ে হয়। নির্যাতিতার পরিবার কেওয়া পশ্চিম খন্ড গ্রামে ভাড়া থাকে। সে বিয়ের পর থেকেই তার স্বামীর সাথে এর পাশের গ্রাম চন্নাপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতো। গত শনিবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার সাথে তার স্বামীর ঝগড়া হয়। ঝগড়ার পর অভিযুক্তকে সাথে দিয়ে নির্যাতিতাকে তার বাবার বাড়ীতে পাঠান তার স্বামী সোহেল। পরে তার বাবার বাড়ী পৌঁছে দেয়ার কথা বলে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন তার গাড়ীতে উঠিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এসময় নির্যাতিতাকে ঘটনাস্থল থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে কাওরাইদ এলাকায় নিয়ে গাড়ীর ভিতরেই জোড়পূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। পরে দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নির্যাতিতাকে তার বাবার বাবার বাড়ীতে পৌছে দিতে এলে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে আটক ও মিনিবাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত যুবতীর স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে, সে ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। এদিকে সোমবার নির্যাতিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর পাঠানো হয়েছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।#







মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বিশেষ সংবাদ

আইন ও অপরাধ

স্বাস্থ্য

কৃষি ও খাদ্য

গনমাধ্যম

ঘোষনাঃ