দশমিনা আ’লীগ সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগ





প্রতিবেদক, টাইমসবাংলা.নেটঃ
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৪নং দশমিনা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটনের বিরুদ্ধে হতদরিদ্রদের ভিজিডি’র সরকারি চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ইউনিয়নের ভূক্তভোগীরা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে দুই দফা অভিযোগ দিয়েছেন। এদিকে চাল আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীদের প্রভাবিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জেলা প্রশাসকের কাছে করা ওই অভিযোগে বলা হয়-দশমিনা উপজেলার ৪নং দশমিনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৭২৪ জন হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিডির কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণ করা হয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে সকল সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ভিজিডির কার্ড নিয়ে নেয় চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ লিটন। ২০১৯ সালের ১২ মাস এবং ২০২০ সালের ৬ মাসসহ মোট ১৮ মাসের মধ্যে ১৪ মাসের চাল বিতরণ করা হয়। বাকি চার মাসের চাল চেয়ারম্যান আত্মসাত করে বলে অভিযোগে বলা হয়। পরে কার্ড হাতে পাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা জানতে পারে ভুয়া টিপ সই দিয়ে ১৮ মাসের ঘর পূরন করা হয়েছে। এছাড়াও ভিজিডি কার্ড বাবদ ৩ থেকে ৪ হাজার করে হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে চাল আত্মসাতের ঘটনায় ডিসির কাছে অভিযোগ দেয়ার পরপর ভুক্তভোগীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ দিচ্ছে চেয়ারম্যানের লোকজন। এঘটনায় চেয়ারম্যানের লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল করেছে।

এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটন অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন,আমি দু’বার চেয়ারম্যান হয়েছি। আমি কোন সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে একটা টাকা নিয়েছি বা এক কেজি চাল আত্মসাত করেছি তার কোন নজির এই ইউনিয়নে নেই। আমার প্রতিপক্ষরা আমাকে ঘায়েল করতে না পেরে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন ও আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এইসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হেমায়েত উদ্দিন জানায়-অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। #







মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

গনমাধ্যম

স্বাস্থ্য

বিশেষ সংবাদ

কৃষি ও খাদ্য

আইন ও অপরাধ

ঘোষনাঃ