ফরিদপুরের চরাঞ্চলের বাদামচাষীদের মাথায় হাত(ভিডিও)





পদ্মা, আড়িয়াল খা ও মধুমতি নদী বেষ্টিত ফরিদপুরের চরাঞ্চলের প্রধান ফসল বাদাম। এবার ফলন ভাল হলেও আগাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বেশীরভাগ কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারেননি। লাভ তো দূরে থাক খরচের টাকাই উঠবে না ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের।

গত কয়েক বছর ভাল ফলন আর দাম পাওয়ায় প্রতিবছরই জেলায় আবাদ বাড়ছে বাদামের। তবে পদ্মায় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি লাভের হিসেব পাল্টে লসের মুখে ফেলে দিয়েছে কৃষকদের। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পরবর্তীতে হঠাত করে পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারনে বেশীর ভাগ কৃষকের জমি পানিতে ডুবে গেছে। যার বেশীর ভাগই তুলতে পারেননি কৃষক।

কৃষক বলছে, এবছর ফলন যেমন খারাপ হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও গতবারের তুলনায় কম। আর ২ সপ্তাহ পরে ফসল তুলতে পারলে সম্পর্ন পরিপক্ক অবস্থায় বাদাম তুলতে পারতো কৃষক।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ১ বিঘা জমিতে বাদাম আবাদে খরচ হয় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। ভাল ফলন হলে ১৫ থেকে ২০ মন বাদাম উৎপাদন হয়। যা কৃষক বিক্রি করেন ২৫’শ থেকে ৩৫’শ টাকা মন। তবে এবছর দাম অনেকটা ই কম

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ফলন ভাল হওয়ায় প্রতিবছরই জেলায় বাদামের আবাদ বাড়ছে। ২০১৭-১৮ মৌসুমে আবাদ হয়েছিল ৬১২৫ হেক্টর জমিতে যার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছিল ১০,৪১৫ মেট্রিক টন। ১৮-১৯ অর্থ বছরে আবাদ হয়েছিল ৬১৪০ হেক্টর জমিতে আর উৎপাদন হয়েছিল ১০৭৪০ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবাদ হয়েছে ৬১৫০ হেক্টর জমিতে।

বাদাম চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে, সরকারের ঘোষিত ৪% সুদ হারের লোন এসকল ক্ষতিগ্রস্থ প্রকৃত কৃষকদের দেয়ার দাবী স্থানীয় শুশিল সমাজের।

অপরদিকে, পানিতে তলিয়ে যাওয়া বাদামের পরিপক্ক অংশ তুলে ফেলার পরামর্শ দিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী জানান, সরকার ঘোষিত লোন সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দেয়ার জন্য তালিকা তৈরী হচ্ছে।#







মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

গনমাধ্যম

স্বাস্থ্য

বিশেষ সংবাদ

কৃষি ও খাদ্য

আইন ও অপরাধ

ঘোষনাঃ