পন্য পরিবহনে বিকল্প নৌযানের ব্যবস্থা চায় পটুয়াখালীর ব্যবসায়ীরা





জাকারিয়া হৃদয়, টাইমসবাংলা.নেটঃ
যাত্রী সেবার নামে “ডাবল ডেকার লঞ্চ” এ পন্য পরিবহনে বর্ষা মৌসুমে ঝুকির মধ্যে চলাচল শুরু করছে পটুয়াখালী-ঢাকা নৌ রুটের কয়েক হাজার যাত্রী। আবার নির্ধারিত মূল্যের বেশি ভাড়া আদায় করায় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পন্য আনা নেয়া করতেও বাধাগ্রস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের দাবী, যাত্রী বাহি লঞ্চে নয় পন্য আনা নেয়ার জন্য আলাদা পরিবহন চালুর। সম্প্রতি পটুয়াখালী শহরের ব্যবসায়ীরা পৌর মেয়রের কাছে চিঠি দিয়ে এ আবেদন জানিয়েছেন।

চিঠি’র সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে মালামাল বিক্রির উদ্দেশ্যে লঞ্চ যোগে ঢাকা, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীতে বিভিন্ন ধরনের মালামাল আমদানি করে ব্যবসায়ীরা। পণ্য আনতে লঞ্চে নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হয়। কোন কোন সময় লঞ্চ ধর্মঘটে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকে। লঞ্চ স্বল্পতা বা লঞ্চ ছাড়ার নির্দিষ্ট সময় থাকায় পণ্য পরিবহন অনেক ক্ষেত্রে লঞ্চে পণ্য সরবরাহ সম্ভব হয় না। সমস্ত জটিলতার কারণে পণ্য পরিবহন ব্যয় অনেক বেশি হয়ে থাকে। বগা গলাচিপা কলাপাড়া উপজেলায় পণ্য পরিবহন ঢাকা থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহন সবাই জাহাজে আনা-নেয়া করা হয় ফলে তাদের সাথে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকা অসাধ্য হয়ে পড়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময়ে যখন ঢাকা থেকে বেশির ভাগ পন্য আনা জরুরি হয়, তখন লঞ্চ গুলো আমাদের মালামাল পরিবহন করে না হলে ভোগান্তির শিকার হই। আমাদের জেলার উৎপাদিত ফসল যেমন মুগ ডাল চাল বাদাম তিল মরিচ ইত্যাদি লঞ্চে পরিবহন ব্যয় বেশি বিদায় তাদের উৎপাদিত পণ্য ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় রপ্তানি করা উদ্দেশ্যে পরিবহণ করতে পারছি না। যে কারণে আমরা ন্যায্য বাজার মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

পূর্বের ন্যায় ঢাকা থেকে পটুয়াখালী এবং পটুয়াখালী থেকে ঢাকা রুটে ট্রলার চলাচল সহ নিজস্ব লেবার দিয়ে মালামাল আমদানি করতে পারে তার দাবি জানান।

শহরের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, যাত্রীবাহি লঞ্চে পন্য পরিবহন করার ফলে অনেক সময় যাত্রীরা ঝুঁকিতে থাকে। একাধিক যাত্রী জানান, লঞ্চ যাত্রা ভালো লাগে তবে লঞ্চে মালামাল পরিবহন কেমন জানি দেখায়। অন্য জেলা গুলোতে যাত্রীবাহী লঞ্চে পন্য পরিবহন করে না। তাই সরকারের কাছে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি যৌক্তিক। তাদের দাবি মেনে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ।

তাদের বক্তব্য, অনেক সময় দেখা যায় সাধারণ যাত্রীদের ডেকে বসা কিংবা ঘুমানোর স্থানে পন্য বোজাই থাকে যেটা ঠিকনা। কখনও কখনও যাত্রীদের চলাচলের স্থানও থাকেনা। এ বিষয়টা সংশ্লিষ্টদের নজরদারীতে আনা প্রয়োজন।

জানতে চাইলে পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, এমন একটি আবেদন পেয়েছি। পৌর পরিষদ, ব্যাবসায়ী এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে করনিয় নির্ধারন করা হবে।

আর পটুয়াখালী নদী বন্দরের উপূপরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান জানান, যাত্রীবাহি লঞ্চে পন্য পরিবহনের জন্য প্রতিটি লঞ্চে আলাদা স্থান রয়েছে তবে সেই স্থান ছাড়া যাত্রীদের বসা বা শ্য়োর স্থানে পন্য বহন করলে সেটা ঠিক না এবং এ ব্যপারে আমাদের নজরদারী রয়েছে।






মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বিশেষ সংবাদ

আইন ও অপরাধ

স্বাস্থ্য

  • item-thumbnail

    মেথি চা’য়ের উপকারিতা

    Views 18817Likes Rating 12345 টাইমসবাংলা.নেটঃ শরীর সুস্থ রাখতে মেথি চায়ের জুড়ি নেই। সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেথি চা খেতে পারেন। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন ...

কৃষি ও খাদ্য

গনমাধ্যম

ঘোষনাঃ