নদীর তীব্র স্রোত ও ফেরী সংকটে দৌলতদিয়া পারের অপেক্ষায় শত শত যানবাহন





প্রতিবেদক, টাইমসবাংলা.নেটঃ
তিনদিন ধরে ভারী বৃষ্টি, পদ্মা-যমুনায় তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটের কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে ঘাট এলাকায় আটকা পড়ছে শত শত যানবাহন।

বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় মহাসড়কে প্রায় সাড়ে ৩ কিমি জুড়ে শত শত পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকা পড়ে। এতেকরে দুর্ভোগের শিকার হন সংশ্লিষ্টরা।

ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, গত সোমবার থেকে কয়েক দফায় ভারী বর্ষণের কারণে ফেরি ঘাটের এ্যাপ্রোচ সড়ক পিচ্ছিল হয়ে ফেরিতে যানবাহন ওঠা নামায় ব্যাঘাত ঘটছে। তাছাড়া পদ্মা ও যমুনা নদীতে তীব্র স্রোত ও পাটুরিয়া ঘাটের কাছে প্রায় এক কিমি চ্যানেল ঘুরে ঘাটে পৌছাতে প্রতিটি ফেরির ১০-১৫ মিনিট সময় বেশী লাগছে। রুটের ২০টি ফেরির মধ্যে ৫টি রোরো (বড়) ফেরিই বর্তমানে সংস্কারের জন্য ২ সপ্তাহ ধরে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে রয়েছে। সর্বশেষ সোমবার রোরো ফেরি শাহ মখদুমকে সংস্কারের জন্য নারায়ণগঞ্জে পাঠানো হয়। রুটে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ১৫টি ফেরি।

এর মধ্যে আবার বনলতা নামক ইউটিলিটি ফেরিটি সোমবার থেকে বিকল হয়ে স্থানীয় কারখানায় মেরামতে আছে। বৈরী আবহাওয়ার পাশাপাশি ফেরি সংকটে এ রুটে কয়েকদিন ধরে যানবাহন পারপারে ব্যাহত হচ্ছে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের বাংলাদেশ হ্যাচারীজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিমি জুড়ে শত শত বিভিন্ন যানবাহন আটকে আছে। এর মধ্যে কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান দুইদিন আগে ঘাটে এসেও ফেরি নাগাল পায়নি। তবে যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য জরুরী যানবাহনগুলোকে অগ্রাধিার দিয়ে পারাপার করায় সিরিয়ালে এ সকল যাত্রীবাহি যানবহন কিছুটা কম।

সিরিয়ালে আটকে থাকা ট্রাক চালকের সহযোগী আসাদ মিয়া, আফজাল হোসেন জানান, তারা মঙ্গলবার বিকেলে ঘাটে এসে সিরিয়ালে আটকে পড়েছেন। এ দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে থেকে এখনো ঘাট থেকে প্রায় ১ কিমি দুরে আছি। আজও হয়তো ফেরির নাগাল পাবো না। যথা সময়ে মালগুলো যথাস্থানে না পৌছাতে পারলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হবে। আটকে থেকে আমাদেরও দুর্ভোগ ও বাড়তি খরচ হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রণি জানান, বৈরী আবহাওয়া ও নদীতে তীব্র ¯্রােতের পাশাপাশি ফেরি সংকট দেখা দেয়ায় ঘাট এলাকায় যানবাহন আটকা পড়ছে। মেরামতে থাকা বনলতা ফেরিটি আজ (বুধবার) সন্ধ্যা নাগাদ চলচল শুরু করবে বলে আশা করছি। তবে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগে পার করা হচ্ছে।






মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

গনমাধ্যম

স্বাস্থ্য

বিশেষ সংবাদ

কৃষি ও খাদ্য

আইন ও অপরাধ

ঘোষনাঃ